আল -কুরআনের আমলকারীর মর্যাদা:

 আল -কুরআনের আমলকারীর মর্যাদা:

আল্লাহ তাআলা রাসূল (সা.) এই পৃথিবীতে পাঠিয়েছিলেন পৃথিবীর বুকে প্রতিষ্ঠিত সকল বাতিল দ্বীনের উপরে দ্বীন ইসলামকে বিজয় করার জন্য। আল -কুরআনে বর্ণিত হয়েছে,


هُوَ الَّذِي أَرْسَلَ رَسُولَهُ بِالْهُدَى وَدِينِ الْحَقِّ لِيُظْهِرَهُ عَلَى الدِّينِ كُلِّهِ وَلَوْ كَرِهَ الْمُشْرِكُونَ


“তিনিই তাঁর রাসূলকে হিদায়াত ও সত্যদ্বীন দিয়ে প্রেরণ করেছেন, যাতে তিনি সকল দ্বীনের উপর তা বিজয়ী করে দেন। যদিও মুশরিকরা তা অপছন্দ করে।” (সূরা আস-সফ-৯)

আল -কুরআন বিশ্ব মানব সভ্যতার দরবারে সবচেয়ে সম্মানিত ও শ্রেষ্ঠ কিতাব। এ কিতাবের আমলকারীকে এবং কিতাবের বিধান প্রতিষ্ঠাকারীকে আল্লাহ জান্নাতে প্রবেশ করাবেন এবং পরিবারের লোকদের জন্য জান্নাতের শুপারিশ করার অধিকার দিবেন। এ সম্পর্কে আল-হাদীসে বর্ণিত হয়েছে,


عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : مَنْ قَرَأَ الْقُرْآنَ وَاسْتَظْهَرَهُ ، فَأَحَلَّ حَلاَلَهُ ، وَحَرَّمَ حَرَامَهُ أَدْخَلَهُ اللَّهُ بِهِ الجَنَّةَ وَشَفَّعَهُ فِي عَشَرَةٍ مِنْ أَهْلِ بَيْتِهِ كُلُّهُمْ قَدْ وَجَبَتْ لَهُ النَّارُ. 


“হযরত আলী ইবনে আবি তালিব (রা.) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি কুরআন অধ্যয়ন করবে এবং কুরআনকে প্রতিষ্ঠার জন্য চেষ্টা করবে। কুরআনে বর্ণিত হালালকে হালাল হিসেবে মেনে নেবে, হারামকে হারাম হিসেবে মেনে নেবে, আল্লাহ তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন এবং পরিবারের দশজনের জন্য সুপারিশ করার অধিকার দিবেন যাদের সকলের ব্যাপারে জাহান্নামের ফয়সালা হয়ে গিয়েছিলো।” (সূনান আত-তিরমিযি)


পরকালীন জীবনে জান্নাত পাওয়ার জন্য এবং আল্লাহর কাছে উচ্চ মাকাম বা (উচ্চ মর্যাদা) পাওয়ার জন্য আমাদের সকলের আল -কুরআন অধ্যয়ন করা, নিজের জীবনে মেনেচলা এবং এই দ্বীন ইসলামকে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করা প্রয়োজন।


কোথা থেকে শিখবো কোরআন?






কোর্সটিতে থাকছে:

- স্বল্প সময়ে শেখার উপায়

-বৈশিষ্ট্য ও ব্যাখ্যার মাধ্যমে হরফ চেনার নিয়ম

-সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা

-ভিডিও লেকচার, কুইজ, নোট


আমরা ছোট বেলায় অনেকেই কোরআন পড়তে শিখেছি, কিন্তু বয়সের সাথে সাথে চর্চার অভাবে তা অনেকটাই ভুলে গিয়েছি। আবার অনেকেই  হয়তো ঠিক করে শেখার সময়টা করে উঠতে পারিনি।


কোরআন নাযিলের এই পবিত্র রমজান মাসে, সহীহভাবে অর্থসহ কোরআন শিখতে টেন মিনিট স্কুল নিয়ে এসেছে '২৪ ঘন্টায় কোরআন শিখি' কোর্স।




260 টাকা ছাড়! মাত্র 690 টাকায় ভর্তি হয়ে যান ২৪ ঘণ্টায় কোরআন শিখি - এ। আজই কিনুন - https://10ms.io/oemLUK মেয়াদ 31-07-2022

(((⚠️অবশ্যই এই লিংক টি ব্যবহার করে কোর্সটি কিনবেন⚠️)))


-আল -কুরআন শিক্ষার পথ হচ্ছে জান্নাতের পথ:

আল -কুরআন শিক্ষার গুরুত্ব এতই বেশী দেওয়া হয়েছে যে, কুরআন শিক্ষার জন্য বা দ্বীন শিক্ষার জন্য যদি কেউ রাস্তায় বের হয় সে আল্লাহর রাস্তায় বের হয়ে গেলো। এবং যতক্ষণ সে এ কাজ থেকে ফিরে না আসলো ততক্ষণ আল্লাহর রাস্তায় থাকলো। এ সম্পর্কে আল-হাদীসে বর্ণিত হয়েছে,


عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ خَرَجَ فِي طَلَبِ الْعِلْمِ كَانَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ حَتَّى يَرْجِعَ


“হযরত আনাস ইবনে মালিক (রা.) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি দ্বীন শিক্ষা করার জন্য বের হলো, সে আল্লাহর রাস্তায় বের হলো যতক্ষণনা সে ফিরে আসলো।” (সূনান আত-তিরমিযি)


দ্বীনের জ্ঞান অর্জনের পথ হচ্ছে জান্নাতের পথ। তাই জ্ঞান অর্জনের জন্য কোন ব্যক্তি রাস্তায় চলতে থাকলে এ পথে চলতে চলতে সে এক সময় জান্নাতের সন্ধান পেয়ে যাবে। আর এ পথে থাকা অবস্থায় যদি তার মৃত্যু হয় আল্লাহ তাকে জান্নাত দিয়ে দিবেন। এ সম্পর্কে আল-হাদীসে বর্ণিত হয়েছে,


عَن أَبِي هُرَيرَةَ رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: ্রوَمَنْ سَلَكَ طَرِيقاً يَلْتَمِسُ فِيهِ عِلْماً، سَهَّلَ اللهُ لَهُ طَرِيقاً إِلَى الجَنَّةِগ্ধ .


“আবূ হুরাইরা (রা.) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি এমন পথে গমন করে; যাতে সে বিদ্যা অর্জন করে, আল্লাহ তাআালা তার জন্য জান্নাতের রাস্তা সহজ করে দেন।” (সহীহ মুসলিম ও তিরমিযী)


একাজন মুসলিম হিসেবে আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে, আল -কুরআন শিক্ষা করার জন্য সেখানে যাওয়া প্রয়োজন যেতে হবে, যত কষ্টই হোক সে কষ্ট করতে হবে, এর পরেও আল -কুরআন শিক্ষা করতে হবে।


Post a Comment

Previous Post Next Post